
সাংবাদিকদের পেনশন দ্বিগুণ করা হচ্ছে— বর্তমান ২,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে মাসিক পেনশন ৫,০০০ টাকা করা হবে।
প্রকল্পের আওতায় সকল শ্রেণির সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে নিউজ ডেস্কে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাঁদের অনেকেরই প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড থাকে না।
সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। ফলে অবসরের পর তাঁরা অন্যান্য সরকারি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মতো পর্যাপ্ত সুবিধা পান না।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা।
বর্তমান প্রকল্পে মাসিক ২,৫০০ টাকা পেনশন দেওয়া হয়, যা একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির দৈনন্দিন ভরণপোষণের জন্য যথেষ্ট নয়।
নতুন প্রকল্পে সব শ্রেণির গণমাধ্যমকর্মী আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে তাঁদের নির্বাচন করা হবে।
যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্য কোনও কারণে কোনও সাংবাদিককে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না।
বিগত বছরগুলির তুলনায় এবার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।
সরকারের উদ্দেশ্য হল বর্তমান প্রকল্পের মতো মাত্র ১৫০ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে এই সুবিধা সীমাবদ্ধ না রেখে যোগ্য আরও বেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা।
‘নেশন ফার্স্ট’ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান
সংবাদমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার বা দলের সমালোচনা মাথা পেতে নেওয়া হলেও দেশপ্রেম ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সংবাদমাধ্যমকে কঠোর ও দায়িত্বশীল অবস্থান নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সংবিধানে বাকস্বাধীনতা থাকলেও নেশন ফার্স্ট নীতি আমাদের বজায় রাখতে হবে। দেশ দুর্বল হয় বা ধর্মীয় আস্থায় আঘাত লাগে, এমন শব্দ বা ভাষা প্রয়োগ এড়িয়ে চলা উচিত।”
