প্রসুন করন,,,(কাদুয়া মুকুন্দপুর, পূর্ব মেদিনীপুর)
কাঁথির জুনপুট কোস্টাল থানার কাদুয়া মুকুন্দপুর সমুদ্রসৈকতের সংলগ্ন ঝোপে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার বিকেলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। গোপালপুরের একটি রিসর্ট সংলগ্ন ঝাউবনের ঝোপের মধ্যে এদিন বিকেল চারটা নাগাদ কিশোরীর দেহটি হাত-পা বাঁধা উপুড় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রথমে তার পরিচয় না জানা গেলেও সন্ধ্যার দিকে পুলিশ তার পরিচয় উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। জানা গেছে মৃতার বয়স অনুমানিক১৫ বছর । কাঁথি শহর লাগোয়া দেশপ্রাণ ব্লকের সরদা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুরমুঠে তার বাড়ি। বাবার নাম অমৃত পন্ডিত। শনিবার বিকেল থেকে সে নিখোঁজ ছিল বলে বাড়ির লোকেরা জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঝোপের মধ্যে পড়ে থাকা মৃতদেহের বাম পায়ের সঙ্গে গলা পর্যন্ত কালো রঙের ওড়না দিয়ে বাঁধা ছিল এবং দেহটি ছিল পিছমোড়া করে বাঁধা অবস্থায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করা হয়েছে। তার পরনে ছিল নীল রঙের টপ ও কালো পালাজো। কাছেই তাঁর মোবাইল ফোনও পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, শনিবার সন্ধ্যার পর ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে এবং দুষ্কৃতী বা দুষ্কৃতিরা খুনের পর ফাঁকা ঝাউবন ও ঝোপে দেহ ফেলে পালিয়ে যায়।
এদিন বিকেলে খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। জুনপুট কোস্টাল থানার পলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়।
কাঁথির মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দিবাকর দাস জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তার দেহের কাছ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া যায় এক মোবাইল ফোন। সেই মোবাইলে সূত্র ধরে, এবং পুলিশি তদন্তে পুলিশ দেব কুমার পাত্রকে (২১ বছর) এরেস্ট করে। পিতা-উত্তম পাত্র।
বাড়ি বামুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাওয়া এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর এক ত্রিকন প্রেমের পরিণতি।

