
জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পঃ বঙ্গে এস.আই.আর অর্থাৎ স্পেশাল ইনটেনশিপ রিভিশানের প্রথম পর্যায়ে ম্যাপিং-এর কাজ ১৫ অক্টোবর শেষ হয়েছে। যদিও বন্যার কারনে উত্তরবঙ্গে এবং অন্যান্য কিছু এলাকায় ম্যাপিং-এর কাজ বাকি রয়েছে। সেজন্য নির্বাচন কমিশন নতুন সময় সীমা ধার্য্য করতে পারে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ম্যাপিং-এর রিপোর্ট কমিশন জানায়নি। তবে বেসরকারী ভাবে যে তথ্য উঠে এসেছে বা বিরোধী দলনেতা তথ্য পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তাতে বলা হচ্ছে যে, প্রায় আড়াই কোটি ভোটারের কোন তথ্য ২০০২ সালের এস.আই.আর মাফিক ভোটার তালিকায় নাম নেই। তাদের বাব-মা কিংবা অন্য কোন আত্মীয়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। বর্তমান ২০২৫ সালে পঃ বঙ্গে ভোটার সংখ্যা ৭কোটি ৭১ লক্ষ। ২০০২ সালে ভোটার ছিল ৪ কোটি ৪১ লক্ষ প্রায়। তাহলে ২২-২৩ বছরে রাজ্য ভোটার বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় দু’কোটির বেশী। পঃ বঙ্গে জন্মহার এবং ১৮ বছর বয়সীদের ভোটার হওয়ার গড় হিসাবের সঙ্গে কোন মিল নেই। যদিও ভোটার তালিকায় বহু মৃত ভোটারের নাম এয়েছে এবং একজন ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় রয়েছে। এগুলি এবার বাদ যাবে। তবে কতটা বাদ দেওয়া হবে তানিয়ে সন্দেহ রয়েছে। পঃ ঙ্গে এমন ১৩ হাজার নাম পাওয়া যাচ্ছে যাদের বয়স একশ বছরের বেশী। সেই ভোটারদের বিষয়ে নিবিড় খোঁজ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যাইহোক, এরপরের ধাপ রয়েছে ম্যাচিং। নতুন ভোটার যারা হয়ে রয়েছে ২০০২ বালের পর তাদের পিতা হবে। নির্বাচন কমিশন কয়েকটি ধাপে এই এস.আই.আর-এর কাজ করবে। বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছেন-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলা গুলিতে ম্যাপিং-এ গড়ে ৫০ শতাংশ ভাটারের সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকার কোন মিল নেই। শুধুমাত্র ভাপিং পর্যায়ে আড়াই থেকে তিন কোটি ভোটারের গরমিল ধরা পড়েছে। রপর যদি মৃত বা একাধিক জায়গায় নাম থাকা ভোটারের নাম বাদ যায় কংবা অনেকে প্রমাণপত্র জোগাড় করে বা বৈধ নতুন ভোটার থাকে তাহলেও প্রায় এক কোটি ২০ লক্ষ থেকে দেড় কোটি ভুয়া ভোটার ধরা ড়বে। যাদের মধ্যে বাংলাদেশী মুসলমান, মায়ানমারের রোহিঙ্গা এরাজ্যে ভাটার তালিকায় নাম লিখিয়ে বসে রয়েছে। এরা ২০০২ সালের পর একে পঃ বঙ্গে ঢুকে এসেছে। অনেকেই জমি জমা কিনে বৈধ কাগজপত্র তৈরি করে বহালে বাস করেছে।
