সব চড়ুই ধান খায়,বাই চড়ুইর নামে যায়।

সরকারি চাকরি করে, বড় ব্যবসায়ী, ইনকাম ট্যাক্স দেয়, নিজস্ব পাকা ঘর আছে এমন বহু মানুষ এবং তার পরিবারে দু এক সদস্যের নামে কাঁথিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘর নিয়েছেন। কিন্তু দুই একজনকে নিয়ে তোলপাড় চলছে। বাকিরা নিভৃতে রয়েছেন তদন্ত করলে অনেকেই প্রকাশ্যে আসবেন।
কাউন্সিলারের নীতি দুর্নীতি জনমানষে প্রভাব পড়বে না।
তিনি যখন এই সুযোগ নিয়েছিলেন তিনি তখন কাউন্সিলর ছিলেন না।
দুর্নীতি যেই সময় বলে কথা বলা হচ্ছে তখন তিনি সাধারণ মানুষ হিসেবে ছিলেন।
বড় কাজ এটাই  প্রকল্পের টাকা ফেরত দিবেন বলে পৌরসভায় আবেদন করেছেন।
সাধারণ মানুষ হিসেবে সুযোগ নিয়েছেন।
শুধু কাউন্সিলর নয় অনেকেই ক্ষমতায় থাকা সরকারের ছত্রছায়ায় থাকা ব্যক্তিরা একাধিক আবাস যোজনার সুবিধা পেয়েছেন।
সুযোগ পেয়েছে তাই পরিবারকে সুখে রাখার চেষ্টা করেছে মাত্র। এতে অন্যায় কিছু নেই।

উল্লেখ্য, কাঁথি পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলর সন্দীপ জানা যখন কাউন্সিলর ছিলেন না তখন তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পেয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি কাউন্সিলর হওয়ায় পর তার বিরুদ্ধে কিছু সুযোগ সন্ধানী দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
এই পরিপাখিতে কাউন্সিলর সন্দ্বীপ জানা গৃহীত টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য পৌরসভায় আবেদন করেছে। তিনি অভিযোগ করেছে এভাবে অনেকেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার একাধিকবার সুযোগ নিয়েছেন।

More From Author

যুবসাথীর টাকা পেতে লাইনে ডাক্তারি ছাত্রও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.