কেউ এমএ পাশ। কেউ তা গবেষণা করছেন। ডাক্তারি কোর্স শেষে কেউ ইন্টার্ন। এমনকী, বেসরকারি সংস্থার কর্মীও রয়েছেন।
এমনকি এই লাইনে রয়েছে গৃহবধূ থেকে প্রেমিকা।
‘সরকার দিচ্ছে। পেলে ক্ষতি কী?’ কার্যত ‘বেকার ভাতা’ পেতে রাজ্যের শিক্ষিত যুবাদের এই ভিড় ।
চাকরির সন্ধান করছেন। এই সময়ে ১,৫০০ টাকাটা তাঁর কাছে হাতখরচ হিসেবেও জরুরি। এই টাকাটা বাড়ি থেকে নিতে চান না। তাই নিচ্ছেন। কত জন এমন শিক্ষিত লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, তার উপরে কর্মসংস্থানের সামগ্রিক চিত্রটা নির্ভর করে। মোবাইল রিচার্জ এবং
গাঁজা এবং চুল্লুর কিছুটা খরচে উঠবে।
১৩ বছর আগে পলিটেকনিক কলেজ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেও চাকরি পাননি কাঁথি আঠিলাগড়ির বাসিন্দা।
কর্ম ও উপার্জনের নিশ্চয়তা দিতে অক্ষম যে শিক্ষা, সেই শিক্ষা ব্যাক্তি ও সমষ্টির জন্য বোঝা। প্রথাগত শিক্ষার পরিণতি সামান্য বেকার ভাতা। লাইনে দাঁড়িয়েছে ইঞ্জিনিয়ার থেকে গবেষক ও উচ্চ ডিগ্রিধারীরা।
অভিভাবকরা অবাক। ভাতাই ভবিষ্যত। ব্যাক্তি ও সমাজের ভবিষ্যত।
রাজনৈতিক গণতন্ত্রে বিরোধীরা যাই সমালোচনা করুক রাজনৈতিক শাসকের শাসন নীতিকে মানুষ কুর্নিশ জানাচ্ছে। দাবি উঠেছে –যে ক্ষেত্রে ভাতা দেওয়া হোক না কেন–তাতে প্রতিটি মানুষ যাতে প্রতি মাসে কমপক্ষে 3 থেকে 6 হাজার টাকা নগদ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। দু দশক আগে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রণব বর্জনের পরামর্শ ছিল –প্রতিটি গরীব মানুষকে প্রতি মাসে সাড়ে সাত হাজার টাকা ভাতা দেওয়া উচিত। বামেরা এমন দাবী করে। যদিও সাড়ে তিন দশক পঃ বঙ্গে শাসনে থেকেও বামেরা ভাতা প্রকল্প চালু করতে পারেনি। বামেরা জমি রাজনীতি করে ক্ষমতা ভোগ করে গেছে। বরং বঙ্গের জমি অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিয়ে গেছে। তুলনায় রাজ্যের বর্তমান শাসক জনগনকে হরেক প্রকল্পে নগদ যোগাচ্ছে। জনগন খুশি।

